নিয়োগপত্র না পাওয়াদের অপেক্ষা করতে বললেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী
গাজীপুরে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন
গাজীপুরের কাথোরা মোহাম্মদীয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা
শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে ইসলামি সমাজ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারূপ
গাজীপুরের পৃথক স্থানে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশ অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত প্রতিহত করা হবে
রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
বাউবির ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধান অতিথি হচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী
গাজীপুরে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৩ আহত ৩
গাজীপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নির্বাচিত হওয়ার পরও যারা এখনো নিয়োগপত্র পাননি, তাদের পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে যারা নিয়োগপত্র পাবেন না, তাদের বিষয়টি যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।
পোস্টে মন্ত্রী বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর নিয়োগপত্র পাওয়া নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।
তিনি জানান, ১ অক্টোবর পর্যন্ত উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ নিয়োগপত্র না পেলে পরবর্তীতে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন বা ভেটিং একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
এর আগে পুলিশি যাচাই-বাছাইয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১ অক্টোবর নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
তবে নিয়োগপত্র না পাওয়া চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ এরই মধ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকেও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। পরে মে মাসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সব নির্বাচিত প্রার্থীর পুলিশি ভেরিফিকেশনের নির্দেশ দেয়। এতে প্রার্থীদের অতীত কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন নথিপত্র যাচাইয়ের বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এর আগে গত ৩ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, নির্বাচিত কোনো প্রার্থী বাদ পড়বেন না।
আপনার মতামত লিখুন :