রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
বাউবির ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধান অতিথি হচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী
গাজীপুরে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৩ আহত ৩
গাজীপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
অপরাধ দমনে পুলিশকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান
কষ্টার্জিত অর্থ নিরাপদ রাখুন, অননুমোদিত প্ল্যাটফর্মে লেনদেন নয়
অনলাইন কাঁপাচ্ছে মেটার নতুন এআই
প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ: দুঃসময়ের ত্যাগ, সুসময়ে মূল্যায়ন
দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে প্রশিক্ষণে সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
মালয়েশিয়া সফর শেষে নাগরিক আচরণ ও আইন মানার সংস্কৃতি নিয়ে সালাহউদ্দিন আইউবী

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের রোডম্যাপ, মিয়ানমারে সহিংসতা বন্ধ, মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের এক পার্শ্ব-অনুষ্ঠানে তিনি এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা বৈষম্য ও নিপীড়নের শিকার। ২০১৭ সালের সহিংসতার পর সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এতে কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীও সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপের মুখে পড়েছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি মানবপাচার, মাদকপাচার, অবৈধ অভিবাসন ও অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। একই সময়ে রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তাও কমছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে না।
তারেক রহমান বলেন, ‘এই সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে। এর সমাধানও মিয়ানমারেই নিহিত।’ তবে রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের অনুকূল নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ চায় না রোহিঙ্গারা চিরকাল বাস্তুচ্যুত অবস্থায় থাকুক। নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরি হলে বাংলাদেশ তাদের প্রত্যাবাসনে সহায়তা করতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
###
জাগোনিউজ থেকে সংকলিত
আপনার মতামত লিখুন :