জুলাইয়ের চেতনা হৃদয়ে ধারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে: ডুয়েট উপাচার্য
জুলাই শহিদদের স্মরণে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচি
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গণহত্যার বিচার ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের দাবি
বিদেশি পিস্তল উদ্ধার অভিযানে সফলতা: পুরস্কৃত সদর থানা পুলিশের টিম
ডুয়েটে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও আর্কিটেকচার ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন
সবুজ ও শান্ত ক্যাম্পাস গড়তে গাকৃবিতে ইয়াস বাংলাদেশের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
গাজীপুরে সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত: রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী ঠিক করবেন তারেক রহমান
সাংবাদিককে হয়রানির অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত চাইলেন কাপাসিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা

নানা আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে রোটারি ক্লাব অব ভাওয়াল।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে গাজীপুর মহানগরের তিতারকুল চিলাই নদীর তীরে আনন্দ শোভাযাত্রা, গ্রামীণ খাবার পরিবেশন ও সাংস্কৃতিক আবহে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হয়। সকালে রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও ঐতিহ্যবাহী সাজে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়।
শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী রোটারিয়ানরা সাদা পোশাকের সঙ্গে মাথায় লাল-সাদা গামছা বেঁধে বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতিকে ধারণ করেন। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা যায়, যা উৎসবে নতুন মাত্রা যোগ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট, বিশিষ্ট নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ রোটারিয়ান ডা. অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “বাংলা নববর্ষ আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক। এই উৎসব আমাদের ভেদাভেদ ভুলে একসাথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়। রোটারি ক্লাব সবসময় মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সংস্কৃতি লালনে ভূমিকা রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাব অব টাঙ্গাইল সিটি-এর প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. সামছুল আলম শিবলী।
তিনি বলেন, “পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে আমাদের শেকড়ের সঙ্গে পরিচিত করে এবং সমাজে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে।”
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ক্লাবের সেক্রেটারি রোটারিয়ান মাহমুদুর রহমান পলাশ। এ সময় ক্লাবের অন্যান্য সদস্যসহ
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজনে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খাবার যেমন মুড়ি, খই, নাড়ু, পিঠা ও মিষ্টান্ন পরিবেশন করা হয়। পাশাপাশি নদীর তীরে মনোরম পরিবেশে অংশগ্রহণকারীরা বাংলা নববর্ষের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী এই আয়োজন বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
আপনার মতামত লিখুন :