গাজীপুর প্রেসক্লাব নির্বাচন: মনোনয়ন ৮ অক্টোবর, ভোট ২৯ অক্টোবর
“ইসলাম ছাড়া সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়” — গাজীপুরে খায়রুল হাসান
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনারেটিভ এআই নিয়ে সেমিনার
চাকরি স্থায়ীকরণসহ ৫ দফা দাবিতে প্রেসক্লাবে মাস্টাররোল কর্মচারীদের সমাবেশ
‘আগামীর নেতৃত্ব দেবে মেধাবীরাই’—শিক্ষার্থীদের মিয়া গোলাম পরওয়ার
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণ ‘দূরদর্শী ও দিকনির্দেশনামূলক’: রাষ্ট্রপতি
কোনাবাড়ীতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
অপহরণ করে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, গাজীপুরে ৩ জন গ্রেপ্তার
শিক্ষকদের গবেষণায় এগিয়ে আসার আহ্বান ড. আমানুল্লাহর

নানা আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে রোটারি ক্লাব অব ভাওয়াল।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে গাজীপুর মহানগরের তিতারকুল চিলাই নদীর তীরে আনন্দ শোভাযাত্রা, গ্রামীণ খাবার পরিবেশন ও সাংস্কৃতিক আবহে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হয়। সকালে রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও ঐতিহ্যবাহী সাজে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়।
শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী রোটারিয়ানরা সাদা পোশাকের সঙ্গে মাথায় লাল-সাদা গামছা বেঁধে বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতিকে ধারণ করেন। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা যায়, যা উৎসবে নতুন মাত্রা যোগ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট, বিশিষ্ট নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ রোটারিয়ান ডা. অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “বাংলা নববর্ষ আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক। এই উৎসব আমাদের ভেদাভেদ ভুলে একসাথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়। রোটারি ক্লাব সবসময় মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সংস্কৃতি লালনে ভূমিকা রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাব অব টাঙ্গাইল সিটি-এর প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. সামছুল আলম শিবলী।
তিনি বলেন, “পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে আমাদের শেকড়ের সঙ্গে পরিচিত করে এবং সমাজে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে।”
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ক্লাবের সেক্রেটারি রোটারিয়ান মাহমুদুর রহমান পলাশ। এ সময় ক্লাবের অন্যান্য সদস্যসহ
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজনে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খাবার যেমন মুড়ি, খই, নাড়ু, পিঠা ও মিষ্টান্ন পরিবেশন করা হয়। পাশাপাশি নদীর তীরে মনোরম পরিবেশে অংশগ্রহণকারীরা বাংলা নববর্ষের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী এই আয়োজন বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
আপনার মতামত লিখুন :