বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরে আলোচনা সভা
বাউবিতে গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার পরিবেশ সমৃদ্ধ করতে পিএইচডি সেমিনার
নিরাপদ ও টেকসই মৎস্য উৎপাদনে গবেষণায় গুরুত্বারোপ গাকৃবি ভিসির
শুধু শেখ হাসিনা নন, মামলার সব আসামিকেই ফেরত চাই
উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও গুণগত মান নিশ্চিতের ওপর জোর গাসিকের
গাজীপুরে প্রকৌশলীদের সঙ্গে আইইবি সদর দপ্তর নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়
গাজীপুরের ব্যবসায়ীদের নতুন কমিটির পরিচিতি সভা
জুলাইয়ের চেতনা হৃদয়ে ধারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে: ডুয়েট উপাচার্য
জুলাই শহিদদের স্মরণে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচি

প্রধানমন্ত্রী ও গণমানুষের নেতা তারেক রহমান ‘টাইম ১০০ মোস্ট ইনফ্লুয়েনশিয়াল পিপল অব ২০২৬’-এর তালিকায় স্থান পেয়েছেন। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এ তথ্য জানিয়েছেন।
নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মাহদী আমিন গভীর আনন্দ ও গৌরবের সঙ্গে জানান, বিশ্ববিখ্যাত সাময়িকী টাইম এই স্বীকৃতির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব, সীমাহীন সাহসিকতা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে অসামান্য অবদানকে আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি দিয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, এক কঠিন সময়ে যখন দেশে গণতন্ত্র অবরুদ্ধ ছিল, মানুষের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা ছিল না—তখন তারেক রহমান দৃঢ়তা, সাহস এবং অটল বিশ্বাস নিয়ে সামনে এগিয়ে আসেন। তিনি শুধু নেতৃত্বই দেননি, বরং নির্যাতিত মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে আশা জাগিয়েছেন এবং জনগণের কণ্ঠকে শক্তিশালী করেছেন।
মাহদী আমিন আরও বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পেরিয়ে আবার গণতন্ত্রের ধারায় ফিরে এসেছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকারের সুরক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা আজ বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃত।
তিনি বলেন, স্মরণকালের অন্যতম আলোচিত স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশে ফিরে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, ‘আই হ্যাভ এ প্লান’। একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমন্বিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নির্বাচিত সরকারের বয়স দুই মাসেরও কম হলেও ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
পোস্টে আরও বলা হয়, টাইম-এর এই তালিকায় অন্তর্ভুক্তি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও দেশ পরিচালনার ক্যারিশম্যাটিক দক্ষতার একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। তিনি প্রমাণ করেছেন, ক্ষমতা নয়, জনগণের অধিকারই একজন নেতার প্রকৃত শক্তি।
দেশের স্বার্থে বিভাজন নয়, বরং দৃঢ় জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে মাহদী আমিন বলেন, এই সম্মান শুধু প্রধানমন্ত্রীর নয়, এটি বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের, যারা গণতন্ত্রের শক্তিতে বিশ্বাস করে।
শেষে তিনি বলেন, এই বৈশ্বিক স্বীকৃতি গণতন্ত্রের বিজয়, জনতার বিজয় এবং বাংলাদেশের বিজয়।
আপনার মতামত লিখুন :