প্রকাশের সময় :
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গাছা থানাধীন ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন জামায়াত সমর্থিত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. আবুল হাসেম।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে আসছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে রাস্তাঘাট মেরামত এবং জনদুর্ভোগ কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তার অনুসারীরা।
এছাড়া অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কাজে সহযোগিতা করে আসছেন বলে স্থানীয়রা জানান। পারিবারিক বিরোধ ও সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান এবং বিচার-সালিশের ক্ষেত্রেও তিনি ভূমিকা রাখছেন বলে তাদের দাবি।
অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে সহযোগিতা, অসুস্থ ও অসহায় মানুষের খোঁজখবর নেওয়া এবং প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগেও তিনি যুক্ত রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান। পাশাপাশি চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরিতেও তিনি কাজ করছেন বলে দাবি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আবুল হাসেম ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ তৈরি করেছেন। আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে তার সামাজিক কর্মকাণ্ড ও জনসম্পৃক্ততা নির্বাচনী আলোচনার একটি বিষয় হয়ে উঠতে পারে।
৩৭ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি শফিকুল ইসলাম মাসুম বলেন, “জাতীয় নির্বাচনেও এই ওয়ার্ডে ১১ দল সমর্থিত প্রার্থী বিপুল পরিমাণ ভোট পেয়েছেন। স্থানীয় নির্বাচনেও আবুল হাসেম ভাই অনেক ভালো করবেন এবং বিজয়ী হবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।”
৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক হাজী মনসুর আহমেদ বলেন, “৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের ব্যাপক ভোটব্যাংক রয়েছে। আবুল হাসেম সঠিকভাবে নার্সিং ও যোগাযোগ রক্ষা করে যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন, সেটা শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারলে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”
স্থানীয়দের মতে, সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও বিভিন্ন প্রয়োজনে পাশে থাকার ধারাবাহিকতা আগামী দিনের নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে মো. আবুল হাসেমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে নির্বাচনের ফলাফল নির্ভর করবে ভোটারদের সিদ্ধান্ত ও সামগ্রিক নির্বাচনী পরিস্থিতির ওপর।